মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে | পড়ুন বিস্তারিত ...

মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হতে পারে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হলে বা গুজবের কারণে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবার আশঙ্কা দেখা দিলে নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কও বন্ধ করা হতে পারে। সোমবার (৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে কিন্তু অসংখ্য আছে ফেক (ভুয়া) আইডি। যাদেরকে আমরা চিনতে পারছি না। তারা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে আমরা ঐ সব পোষ্ট বন্ধ করে দিতে পারি।’তিনি আরো বলেন, ‘অথবা, যদি এমন হয় যে ঐ সামাজিক মাধ্যমের কারণে এলাকার আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হতে পারে সেক্ষেত্রে আমরা নেটওয়ার্ক শাটডাউনও করতে পারি।’

নির্বাচন সামনে রেখে যেকোনো ধরনের গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর উপরে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলে জানান তিনি। এজন্যে বিটিআরসিসহ ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর ও পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।

পাবনায় চোরাই মটরসাইকেলসহ পিতা-পূত্র আটক

‘মৃত’ মরিয়ম ১৫ দিন পর ফিরে শোনালেন তার মৃত্যু রহস্য

১৯৭৪ সালের ১ টাকা বর্তমান সময়ের কত টাকা? জানলে অবাক হবেন

কোনো ধরনের গুজব যাতে কেউ ছড়াতে না পারে এজন্য সামাজিক মাধ্যমের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে জানিয়ে হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যেমন দেলোয়ার হোসেইন সাইদীকে চাঁদে দেখা গেছে সেই গুজবকে ভিত্তি করে হাজার হাজার লোক রাস্তায় নেমে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনত করেছে। অথবা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় একটা প্রোপাগান্ডা হয়েছে। সেটাই আমরা মাথায় রেখে নির্বাচনকে ঘিরে যাতে প্রচার করে মানুষকে উস্কানি দিতে না পারে-তা আমরা মনিটরিং করবো।’

পাবনায় লাশ দাফনে সুদ ব্যবসায়ীর বাধা! সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শহিদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক শ্রমিকের লাশ গ্রামে দাফনের সময় স্থানীয় এক সুদ ব্যবসায়ীর বাধা দেওয়ার খবর মিলেছে। এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, মৃত শহিদুল মারা যাওয়ার আগে বেশ কিছু টাকা সুদের উপর ধার নিয়েছিলেন। পরে অবশ্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে লাশ দাফন করা হয়।

নিহত শহিদুল চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের জগতলা গ্রামের মৃত সোহরাব উদ্দিনের ছেলে এবং দাফনে বাধা দেয়া সুদ ব্যবসায়ী হলেন একই গ্রামের গুজরত আলীর ছেলে জামাত আলী। সে একজন এলাকার প্রখ্যাত সুদে কারবারি বলে এলাকাবাসী জানায়।

জানা গেছে, রোববার (২ ডিসেম্বর) সকালে পাবনা সদর উপজেলার নুরপুর বাইপাস এলাকায় কাঠবোঝাই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চাটমোহর উপজেলার ৩ শ্রমিক নিহত ও একজন আহত হন। হতাহত সবার বাড়ি উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নে। নিহতদের একজন জগতলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম। রোববার দুপুরে নিহতদের মরদেহ গ্রামে পৌঁছার পর হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্বজনদের আহাজারীতে ভারী হয়ে ওঠে গ্রামের বাতাস।

নিহত শহীদুলের পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়, জগতলা গ্রামের গুজরত আলীর ছেলে জামাত আলী এলাকায় একজন চিহ্নিত সুদ ব্যবসায়ী। তিনি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সুদের কারবারের সাথে জড়িত। তার হাতে অনেকেই জিম্মি হয়ে পড়েছে।

নিহত শহীদুল মৃত্যুর বেশকিছু দিন আগে জামাত আলীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা সুদে নেয়। প্রতিমাসে সুদের টাকা পরিশোধও করতেন শহীদুল। আসল টাকা পরিশোধ না করলেও সুদ বাবদ প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন তিনি।

এর মাঝে রোববার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান দরিদ্র দিনমজুর শহীদুল ইসলাম। পাবনা থেকে মরদেহ গ্রামে আসার পর দাফন করার জন্য বিকেলে গোরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে মরদেহ দাফনে বাধা দেন সুদ ব্যবসায়ী জামাত আলী। টাকা পরিশোধ না করে শহীদুল মারা যাবেন, এটা হয়তো মানতে পারেননি ওই সুদ ব্যবসায়ী। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং লাশ দাফন করা হয়।

মিমির কোলে আশ্রয় পেল ওরা

আগাম ধানের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

মিমির কোলে আশ্রয় পেল ওরা

এ বিষয়ে মূলগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম বকুল জানান, ‘বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক। জানাযায় বাধা দেওয়ার বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে জামাত আলীকে সতর্ক করা হয়েছে। গ্রামবাসীকে সুদ ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’

সবাইকে ছাড়িয়ে আলোচনায় লীনা:: নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ২৭ দিন। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ক্ষণ গণনা। এবার আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলই ভোটের মাঠে। সুষ্ঠু ভোট হলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। কোথাও কোথাও হেভিওয়েটের সঙ্গে হেভিওয়েট আবার কোথাও কোথাও নবীন প্রার্থীর সঙ্গে লড়ছেন হেভিওয়েট প্রার্থী।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবান সংসদীয় আসনে বিএনপির বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন উদীয়মান মহিলা নেত্রী উম্মে কুলসুম লীনা। সিনিয়রদের পেছনে ফেলে চমক দেখিয়ে তিনি নিজের নাম মনোনয়ন তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। বান্দরবানে বিএনপির রাজনীতি বলতে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরি অথবা জেলা সভাপতি মা ম্যা চিংয়ের নাম প্রথমে আসে।প্রসঙ্গত, বান্দরবান সংসদীয় আসনে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কাছে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তার মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*