ইসলামে যেসব নারীদের বিবাহ করা হারাম | পড়ুন বিস্তারিত ...

ইসলামে যেসব নারীদের বিবাহ করা হারাম

মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের উপর বিয়েকে হালাল করেছেন। সেই সঙ্গে জেনাকে হারাম করেছেন। পাপাচার থেকে মুক্ত হয়ে সুন্দরভাবে জীবন যাপন করার জন্য আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের উপর এ বিধান দিয়েছেন। এটা আল্লাহ তাআলার একটা গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এ ছাড়া বিয়ের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবন গঠন করা নবীদেরও সুন্নত।বিয়ে নিয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, নিশ্চয় আপনার পূর্বে অনেক রাসুলকে প্রেরণ করেছি। আমি তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করেছি। (সুরা রা’দ ৩৮)। তবে, বিয়ের ক্ষেত্রে ইসলামে কিছু বিধান রয়েছে। যে কাউকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে ইসলামে কঠোর নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

ইসলামের দৃষ্টিতে যেসব নারীদের বিয়ে করা হারাম: মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেন- মাতা, দুধ মা, বোন, দুধ বোন, কন্যা, খালা, ফুফু, ভ্রাতৃকন্যা, ভগণীকণ্যা, স্ত্রীদের মাতা, ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী, দুই বোনকে একত্রে বিয়ে করা হারাম, অন্যের বৈধ স্ত্রীকে বিয়ে করা হারাম, তোমরা যাদের সঙ্গে সহবাস করেছ, সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিয়েতে তোমাদের কোন গোনাহ নেই।

বংশগত সম্পর্কের কারণে যারা হারাম-! ১. আপন জননীদের বিয়ে করা হারাম। এ ক্ষেত্রে দাদি, নানি সবার এ বিধান প্রযোজ্য। ২. নিজের ঔরসজাত কন্যাকে বিয়ে করা হারাম। এ ক্ষেত্রে পৌত্রী, প্রপৌত্রী, দৌহিত্রী, প্রদৌহিত্রী তাদেরও বিয়ে করা হারাম। ৩. সহোদরা ভগ্নিকে বিয়ে করা হারাম। এমনইভাবে বৈমাত্রেয়ী ও বৈপিত্রেয়ী ভগ্নিকেও বিয়ে করা হারাম। ৪. পিতার সহোদরা, বৈমাত্রেয়ী ও বৈপিত্রেয়ী বোনকে (ফুফুকে) বিয়ে করা হারাম।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

৫. আপন জননীর সহোদরা, বৈমাত্রেয়ী ও বৈপিত্রেয়ী বোনকে (খালা) বিবাহ করা হারাম। ৬. ভ্রাতুষ্পুত্রীর সঙ্গেও বিয়ে হারাম, আপন হোক, বৈমাত্রীয় হোক। ৭. বোনের কন্যাকে বিয়ে করা হারাম। চাই সে বোন সহোদরা, বৈমাত্রেয়ী ও বৈপিত্রেয়ী যে কোনো ধরনের বোনই হোক না কেন, তাদের কন্যাদের বিবাহ করা ভাইয়ের জন্য বৈধ নয়। বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা হারাম- ১. স্ত্রীদের মাতাগণ (শাশুড়ি) স্বামীর জন্য হারাম। এতে স্ত্রীদের নানি, দাদি সবার জন্য এ বিধান প্রযোজ্য।

২. নিজ স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহের পর সহবাস করার শর্তে ওই স্ত্রীর অন্য স্বামীর ঔরসজাত কন্যাকে বিবাহ করা হারাম। ৩. পুত্রবধূকে বিয়ে করা হারাম। ৪. দুই বোনকে বিবাহের মাধ্যমে একত্র করা অবৈধ। তবে, খালাতো, মামাতো, চাচাতো বা ফুফাতো বোনকে বিয়ে করা বৈধ। চাচা মারা গেলে কিংবা তালাক দিয়ে দিলে চাচীকে বিয়ে করার বৈধতা দিয়েছে ইসলাম। তবে, তাদেরকে বিয়ে করবেন কি করবেন না সেটা আপনার ইচ্ছা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*