ধেয়ে আসছে ঘূর্ণি-ঝড়, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি | পড়ুন বিস্তারিত ...

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণি-ঝড়, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণি-ঝড়- দিনের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারাদেশের আবহাওয়া বার্তায় এমন খবর দেওয়া হয়েছে। তবে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

বাসসে আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম,কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী চব্বিশ ঘণ্টায় সিলেট, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

ছারপোকার জন্ম কবে এবং কোথায়? উপদ্রব কীভাবে কমাবেন? ছারপোকা বাংলাদেশে বেশ পরিচিত একটি নাম। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়-পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে এটা অনেক বেশি পরিচিত। ছারপোকা মানুষের রক্ত খেতে এবং বিছানার কোনায় কিংবা ভাঁজে থাকতে পছন্দ করে। এই পোকা কামড়ালে কোনও রোগ হয় না, শুধু একটু লাল হয়ে ফুলে যেতে পারে।

ছারপোকা নিয়ে আলাপ-আলোচনা কম হয় না। কিন্তু আপনি জানেন কি, ছারপোকার জন্ম কবে এবং কোথায়? হাজার হাজার বছর ধরে ছারপোকার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা পোকাটির ফসিল বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, এর জন্ম প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে। ছারপোকার জন্ম হয় মধ্যপ্রাচ্যে। বিশেষ করে মানুষ এবং বাদুড় উভয়ের ব্যবহৃত গুহাগুলোয় প্রথম এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

বর্তমানে সারাবিশ্বেই ছারপোকার উপস্থিতি রয়েছে। জন্ম মধ্যপ্রাচ্যে হলেও এর উপদ্রব এখন সবচেয়ে বেশি উন্নত দেশগুলোতে। নরম বিছানা ব্যবহার করায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অবশ্য ১৯৩০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে উন্নত দেশগুলোতে পোকাটি খুব বেশি দেখা যায়নি। তখন ডিডিটি নামের এক ধরনের রাসায়নিকের প্রচলন থাকায় ছারপোকা বংশ বিস্তার করতে পারেনি।

কিন্তু ওই রাসায়নিক নিষিদ্ধ হওয়ার পর থেকে পোকাটির উপদ্রব ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। ছারপোকার অস্তিত্ব পুরোপুরি বিনষ্ট করে দেওয়া খুবই কঠিন। তবে এর উপদ্রব সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পোকাটির ডিম নষ্ট করে দিতে হবে। একটি প্রাপ্তবয়স্ক ছারপোকা জীবদ্দশায় ২৫০টি ডিম পাড়ে। ডিম থেকে বাচ্চা জন্মাতে সময় লাগে ৬ থেকে ১০ দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*